পাঠ ১০। উঁচু স্বর আর «চিমটি-দেওয়া» বুড়ো আঙুল

উপরের D-র ওপরে উঠতে দরকার বিশেষ কৌশল — বুড়ো আঙুল দিয়ে পেছনের ছিদ্র একটু খোলা রাখা।

উঁচু স্বরে বুড়ো আঙুল পেছনের ছিদ্র পুরো ঢাকে না, ছোট্ট একটা ফাঁক রাখে। একে বলে «চিমটি»।
পেছনেবাঁডানE (উপরের)
বুড়ো আঙুল বাঁকিয়ে নখের ডগা ছিদ্রে চেপে ধরো, যেন ছিদ্রের উপরের অংশ একটু খুলে থাকে। ছবিতে এমন ছিদ্র অর্ধেক রঙ করা।
পেছনেবাঁডানE (উপরের)
দ্বিতীয় সপ্তকের E: বুড়ো আঙুলের চিমটি, বাঁ হাতের তিন আঙুল, ডান হাতের তর্জনী ও মধ্যমা।
পেছনেবাঁডানF (উপরের)
দ্বিতীয় সপ্তকের F: চিমটি, বাঁ হাতের তিন আঙুল, ডান হাতের তর্জনী ও অনামিকা। ডান হাতের মধ্যমা তোলা।
পেছনেবাঁডানG (উপরের)
দ্বিতীয় সপ্তকের G: চিমটি আর বাঁ হাতের তিন আঙুল। প্রায় নিচের G-র মতোই, শুধু পেছনে ফাঁকসহ।
উঁচু স্বর দ্রুত বাতাস ভালোবাসে, কিন্তু জোরালো নয়। «তু»-র বদলে বাঁশির মধ্যে বলো «টি» — জিভ উঠে যাবে আর ধারা সরু হবে।

🎤 অনুশীলন: ধাপে ধাপে উপরে

D², E², F², G², F², E², D²। উঁচু স্বরের জায়গায় নিচু স্বর বাজলে — বুড়ো আঙুল আরও একটু খোলো।

—
«শুরু করো» চাপো আর মাইক্রোফোনের অনুমতি দাও

রেকর্ডারে চিমটি কী

বাঁশি দ্বিতীয় সপ্তকে যেতে হলে পেছনের ছিদ্র খুব সামান্য খুলতে হয়। বাঁ হাতের বুড়ো আঙুল বাঁকিয়ে তার ডগা (নখ) ছিদ্রের কিনারায় রাখা হয়, উপরে ছোট ফাঁক রেখে। আঙুল বসানোর ছকে এই ছিদ্র অর্ধেক রঙ করা বা কাটা চিহ্নে আঁকা হয়।

উঁচু স্বরের আঙুল বসানো

উঁচু স্বর না হলে

সবচেয়ে সাধারণ কারণ: ফাঁক খুব ছোট (নিচের সপ্তক বাজে) বা খুব বড় (শব্দ ফিসফিস করে ভেঙে যায়)। আঙুলের এমন জায়গা খুঁজুন যেখানে স্বর পরিষ্কার বাজে। নিচের স্বরের চেয়ে একটু দ্রুত ফুঁ দিন, কিন্তু জোরে নয় — «টি» বলে ধারা সরু করুন। কোন স্বরে পৌঁছেছেন ট্রেনার বলে দেবে।

প্রশ্ন ও উত্তর

উঁচু E-র জায়গায় নিচেরটা বাজে কেন?

বুড়ো আঙুল পেছনের ছিদ্র পুরো ঢাকছে। আঙুল বাঁকিয়ে ছোট একটা ফাঁক খুলুন।

উঁচু স্বর চিৎকার করছে — কী করব?

নরম করে ফুঁ দিন আর দেখুন ফাঁক খুব বড় নয় তো। উঁচু স্বরে লাগে সরু দ্রুত ধারা, জোরালো চাপ নয়।

অ্যাপ ইনস্টল করো