শার্প ও ফ্ল্যাট কী
পিয়ানোর পাশাপাশি দুটো চাবির দূরত্বকে বলে সেমিটোন। শার্প (♯) স্বরকে এক সেমিটোন উপরে তোলে, ফ্ল্যাট (♭) নামায়। তাই A♯ আর B♭ একই শব্দ, শুধু লেখা আলাদা।
রেকর্ডারে F♯
পেছনের ছিদ্র আর বাঁ হাতের তিনটি ছিদ্র ঢাকা হয়, আর ডান হাতে — মধ্যমা ও অনামিকা। ডান হাতের তর্জনী তোলা থাকে। এটা কাঁটা আঙুল বসানো: ছিদ্র «একটা বাদ দিয়ে একটা» ঢাকা।
রেকর্ডারে G♯
পেছনের ছিদ্র, বাঁ হাতের প্রথম ও দ্বিতীয় ছিদ্র, আর ডান হাতের উপরের তিনটি ছিদ্র। বাঁ হাতের অনামিকা তোলা।
রেকর্ডারে B♭
পেছনের ছিদ্র, বাঁ হাতের তর্জনী ও অনামিকা, আর ডান হাতের তর্জনী। বাঁ হাতের মধ্যমা তোলা।
সেমিটোনের সুর ঠিক হয় না কেন
কাঁটা আঙুল বসানো শ্বাসের প্রতি বেশি সংবেদনশীল। ট্রেনার স্বর একটু নিচু দেখালে — একটু জোরে ফুঁ দিন, একটু উঁচু হলে — নরম করে। আর অবশ্যই আঙুল শক্ত করে চেপে ধরুন: ছোট ফাঁকও শব্দ সরিয়ে দেয়।
জার্মান বাঁশিতে F♯ ও G♯
উপরে বলা হলো বারোক ব্যবস্থা। জার্মান বাঁশিতে (মধ্যভাগে G অক্ষর বা «German» লেখা) এই স্বরগুলো অন্যভাবে বাজে:
- F♯ — ডান হাতের তর্জনী ছাড়া সব বন্ধ: সেটা তোলা, আর ডান হাতের মধ্যমা, অনামিকা ও কনিষ্ঠা ছিদ্র ঢাকে।
- G♯ — পেছনের ছিদ্র, বাঁ হাতের তর্জনী ও মধ্যমা, ডান হাতের তর্জনী ও মধ্যমা। বাঁ হাতের অনামিকা আর নিচের ছিদ্রগুলো খোলা।
জার্মান বাঁশিতে F♯ প্রায়ই বেসুরো বা কষ্টে বাজে — এটা ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য, শিক্ষার্থীর ভুল নয়। অনুশীলনে ব্যবস্থা বদলে নিন — ছক বদলে যাবে।