পাঠ ৪। স্বর G আর তিন স্বরের প্রথম সুর

আরও একটা আঙুল — আর আমাদের তিনটা স্বর। প্রথম সুর বাজাতে এটুকুই যথেষ্ট!

পেছনেবাঁডানG
স্বর G: বাঁ হাতের সব ছিদ্র ঢাকি। বুড়ো আঙুল পেছনে, তর্জনী, মধ্যমা আর অনামিকা সামনে।
পেছনেবাঁডানG
ডান হাত এখনও বিশ্রামে: সে নিচ থেকে বাঁশি ধরে রাখে, কিন্তু ছিদ্র ঢাকে না।
নিচের স্বর আরও নরম শ্বাস ভালোবাসে। G চিৎকার করলে একদম আস্তে ফুঁ দাও।
এবার সুর: B, A, G। B, A, G। যেন সিঁড়ি বেয়ে নামছি!

🎤 অনুশীলন: সুর «সিঁড়ি»

ক্রমানুসারে বাজাও: B, A, G — দুবার। তাড়াহুড়ো কোরো না, প্রতিটা স্বর পট্টি ভরা পর্যন্ত ধরো।

—
«শুরু করো» চাপো আর মাইক্রোফোনের অনুমতি দাও

স্বর G-র আঙুল বসানোর ছক

স্বর G-র জন্য বাঁ হাতের সব ছিদ্র ঢাকা হয়: পেছনেরটা (বুড়ো আঙুলে) এবং সামনের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয়টা (তর্জনী, মধ্যমা ও অনামিকায়)। ডান হাত কোনো ছিদ্র ঢাকে না।

রেকর্ডারে প্রথম সুর

তিনটা স্বর — B, A আর G — অনেক শিশুতোষ গানের ভিত্তি। সবচেয়ে সহজ অনুশীলন — «সিঁড়ি»: B → A → G, অর্থাৎ উপর থেকে নিচে একটা একটা আঙুল যোগ করে। তারপর উল্টো দিকেও বাজানো যায়, আর নিজের সুরও বানানো যায়।

অনুশীলনের পরামর্শ:

নিচের স্বর চিৎকার করে কেন

স্বর যত নিচু, ফুঁ তত নরম দিতে হয়। জোরালো বাতাসের ধারা বাঁশিকে উপরের হারমোনিকে লাফিয়ে যেতে বাধ্য করে — তখন কিচকিচ শব্দ হয়। G না বাজলে দুটো জিনিস দেখুন: বাঁ হাতের সব ছিদ্র শক্ত করে ঢাকা কি না, আর ফুঁ খুব জোরালো কি না।

প্রশ্ন ও উত্তর

দিনে কতক্ষণ রেকর্ডার চর্চা করা উচিত?

শিশুদের জন্য রোজ ১০–১৫ মিনিটই যথেষ্ট। নিয়মিত হওয়া সময়ের চেয়ে জরুরি।

অ্যাপ ইনস্টল করো