পাঠ ১। রেকর্ডার বাঁশির সাথে পরিচয় আর ধরতে শেখা

আজ আমরা বাঁশির সাথে পরিচিত হব: এর অংশগুলোর নাম জানব, কীভাবে ধরতে হয় শিখব আর প্রথম শব্দ বের করব।

পেছনেবাঁডানমুখনলজানালামধ্যভাগঘণ্টা-মুখ
নমস্কার! এটা রেকর্ডার বাঁশি। উপরে এর মুখনল — এতে আমরা ফুঁ দিই। মুখনলের নিচে একটা জানালা আছে: সেখানেই শব্দের জন্ম হয়। জানালা আঙুল দিয়ে ঢাকা যাবে না।
বাঁশিতে অনেকগুলো ছিদ্র আছে। সামনে সাতটা, আর একটা লুকিয়ে আছে পেছনে — ওটা বুড়ো আঙুল দিয়ে ঢাকা হয়।
সবচেয়ে বড় নিয়মটা মনে রাখো: বাঁ হাত সবসময় উপরে, মুখের কাছে। ডান হাত থাকে নিচে।
ছিদ্র ঢাকি আঙুলের ডগা দিয়ে নয়, নরম অংশ দিয়ে। এমনভাবে চেপে ধরো যেন বাতাস বেরোতে না পারে।
মুখনল রাখি নিচের ঠোঁটের ওপর, আর উপরের ঠোঁট দিয়ে হালকা ঢেকে দিই। দাঁত দিয়ে বাঁশি কামড়াই না!
এবার চেষ্টা করি! বাঁশিটা নাও আর খুব নরম করে ফুঁ দাও, যেন হাত গরম করছ। সমান শব্দ হয়েছে? দারুণ!

🎤 অনুশীলন: প্রথম শব্দ

বাঁশি ধরো, যেকোনো ছিদ্র ঢাকো (বা কিছুই ঢেকো না) আর নরম করে ফুঁ দাও। সমান শব্দ ২ সেকেন্ড ধরে রাখতে হবে। বাঁশি চিৎকার করলে আরও নরম করে ফুঁ দাও।

—
«শুরু করো» চাপো আর মাইক্রোফোনের অনুমতি দাও

রেকর্ডার বাঁশি কী কী অংশে তৈরি

রেকর্ডার বাঁশির তিনটি অংশ: মুখনল ও জানালাসহ মাথা, ছিদ্রসহ মধ্যভাগ আর নিচের অংশ (ঘণ্টা-মুখ)। মুখনল থেকে আসা বাতাসের ধারা জানালার ধারালো কিনারায় কেটে গেলে শব্দ তৈরি হয়। তাই জানালা আঙুল বা হাতের তালু দিয়ে ঢাকা যায় না — বাঁশি চুপ হয়ে যাবে।

সোপ্রানো রেকর্ডারে আটটি ছিদ্র: সামনে সাতটি আর পেছনে একটি। পেছনেরটা বাঁ হাতের বুড়ো আঙুলে ঢাকা হয়। অনেক বাঁশিতে নিচের দুটি ছিদ্র জোড়া — এগুলো সেমিটোনের জন্য, প্রথম পাঠগুলোতে লাগবে না।

রেকর্ডার বাঁশি কীভাবে ঠিকভাবে ধরবেন

নতুনদের সবচেয়ে সাধারণ ভুল — আঙুলের ডগা দিয়ে ছিদ্র ঢাকা। তাতে ছিদ্র একটু খোলা থেকে যায়, আর বাঁশি ফিসফিস করে। আঙুলের নরম অংশ ব্যবহার করুন।

প্রথম শব্দ কীভাবে বের করবেন

মুখনল নিচের ঠোঁটে রাখুন আর উপরের ঠোঁট দিয়ে ঢেকে দিন। গাল ফোলাবেন না, জোরে ফুঁ দেবেন না: রেকর্ডারে খুবই অল্প বাতাস লাগে। কল্পনা করুন আপনি গরম নিশ্বাসে আস্তে আস্তে হাত গরম করছেন। শব্দ তীক্ষ্ণ হলে — আপনি খুব জোরে ফুঁ দিচ্ছেন।

প্রশ্ন ও উত্তর

রেকর্ডার বাঁশি উপরে কোন হাতে ধরতে হয়?

বাঁ হাতে। বাঁ হাত সবসময় উপরে, ঠোঁটের কাছে, ডান হাত নিচে। এই নিয়ম ডানহাতি ও বাঁহাতি দুজনের জন্যই এক।

বাঁশি চিৎকার করে কেন?

বেশিরভাগ সময় খুব জোরে ফুঁ দেওয়ার কারণে। নরম করে ফুঁ দিন, যেন হাত গরম করছেন। ছিদ্র ঠিকমতো ঢাকা না হলেও তীক্ষ্ণ শব্দ হতে পারে।

বাঁশির মুখনল কি কামড়ানো যায়?

না। মুখনল নিচের ঠোঁটে থাকে, উপরের ঠোঁট হালকা ঢেকে রাখে। দাঁত বাঁশি ছোঁবে না।

অ্যাপ ইনস্টল করো