রেকর্ডার বাঁশি কী কী অংশে তৈরি
রেকর্ডার বাঁশির তিনটি অংশ: মুখনল ও জানালাসহ মাথা, ছিদ্রসহ মধ্যভাগ আর নিচের অংশ (ঘণ্টা-মুখ)। মুখনল থেকে আসা বাতাসের ধারা জানালার ধারালো কিনারায় কেটে গেলে শব্দ তৈরি হয়। তাই জানালা আঙুল বা হাতের তালু দিয়ে ঢাকা যায় না — বাঁশি চুপ হয়ে যাবে।
সোপ্রানো রেকর্ডারে আটটি ছিদ্র: সামনে সাতটি আর পেছনে একটি। পেছনেরটা বাঁ হাতের বুড়ো আঙুলে ঢাকা হয়। অনেক বাঁশিতে নিচের দুটি ছিদ্র জোড়া — এগুলো সেমিটোনের জন্য, প্রথম পাঠগুলোতে লাগবে না।
রেকর্ডার বাঁশি কীভাবে ঠিকভাবে ধরবেন
- বাঁ হাত — উপরে। বুড়ো আঙুল পেছনের ছিদ্র ঢাকে, তর্জনী, মধ্যমা ও অনামিকা সামনের উপরের তিনটি ছিদ্র ঢাকে।
- ডান হাত — নিচে। এর আঙুলগুলো নিচের চারটি ছিদ্র ঢাকে, আর বুড়ো আঙুল পেছন থেকে বাঁশিকে ধরে রাখে।
- বাঁশি নিচের দিকে, সামনে প্রায় ৪৫ ডিগ্রি কোণে থাকে, কনুই আলগা নামানো, কাঁধ শিথিল।
নতুনদের সবচেয়ে সাধারণ ভুল — আঙুলের ডগা দিয়ে ছিদ্র ঢাকা। তাতে ছিদ্র একটু খোলা থেকে যায়, আর বাঁশি ফিসফিস করে। আঙুলের নরম অংশ ব্যবহার করুন।
প্রথম শব্দ কীভাবে বের করবেন
মুখনল নিচের ঠোঁটে রাখুন আর উপরের ঠোঁট দিয়ে ঢেকে দিন। গাল ফোলাবেন না, জোরে ফুঁ দেবেন না: রেকর্ডারে খুবই অল্প বাতাস লাগে। কল্পনা করুন আপনি গরম নিশ্বাসে আস্তে আস্তে হাত গরম করছেন। শব্দ তীক্ষ্ণ হলে — আপনি খুব জোরে ফুঁ দিচ্ছেন।